সর্বশেষ
Loading breaking news...

সকল বিভাগ

মোট 11 টি বিভাগ

বকেয়া বিল জট কাটাতে নতুন ভিসির জরুরি পদক্ষেপের প্রত্যাশা ভুক্তভোগী কোম্পানিগুলোর

খবরের ছবি
ছবি: সংরক্ষণাগার

ইসলামি আরবি বিশ্ববিদ্যালয়-এ বিভিন্ন উন্নয়ন ও সেবামূলক কাজ সম্পন্ন করা একাধিক বেসরকারি প্রতিষ্ঠান বকেয়া বিল পরিশোধে দীর্ঘসূত্রতার অভিযোগ তুলে দ্রুত সমাধানের দাবি জানিয়েছে। সংশ্লিষ্টদের দাবি, কাজ শেষ করার পরও বিল ছাড় পেতে তাদের দীর্ঘ সময় অপেক্ষা করতে হচ্ছে এবং বিভিন্ন দপ্তরে ঘুরতে হচ্ছে। অনেক ক্ষেত্রে প্রয়োজনীয় প্রক্রিয়া সম্পন্ন হওয়ার পরও অর্থ ছাড়ে বিলম্ব হওয়ায় ছোট ও মাঝারি প্রতিষ্ঠানগুলো আর্থিক চাপে পড়ছে।

 

সম্প্রতি নতুন উপাচার্য হিসেবে দায়িত্ব গ্রহণ করেছেন অধ্যাপক ড. মুহাম্মদ আবু জাফর খান। তার দায়িত্ব গ্রহণের পর ভুক্তভোগী কোম্পানিগুলোর মধ্যে নতুন করে আশার সঞ্চার হয়েছে। তারা মনে করছেন, নতুন নেতৃত্বে এই দীর্ঘদিনের সমস্যার দ্রুত সমাধান হতে পারে। একাধিক প্রতিষ্ঠানের প্রতিনিধিরা জানিয়েছেন, নতুন ভিসি বিষয়টি গুরুত্ব দিয়ে দেখলে প্রশাসনিক জটিলতা দূর হবে এবং বিল পরিশোধ প্রক্রিয়া দ্রুততর হবে।

 

ভুক্তভোগীদের ভাষ্যমতে, বিল প্রক্রিয়াকরণে ধীরগতি এবং প্রশাসনিক জটিলতা দীর্ঘদিনের একটি সমস্যা হিসেবে রয়ে গেছে। যদিও এ বিষয়ে বিশ্ববিদ্যালয় প্রশাসনের আনুষ্ঠানিক কোনো বক্তব্য পাওয়া যায়নি, সংশ্লিষ্টরা বলছেন—সময়ের দাবি অনুযায়ী এখন দ্রুত কার্যকর পদক্ষেপ নেওয়া জরুরি।

 

অভিযোগ রয়েছে যে, বিশ্ববিদ্যালয়ের রেজিস্ট্রার অফিসের একটি অসাধু চক্র বা ‘সিন্ডিকেট’ এ ধরনের বিলম্বের পেছনে ভূমিকা রাখছে। যদিও এ বিষয়ে সংশ্লিষ্ট প্রশাসনের পক্ষ থেকে আনুষ্ঠানিক কোনো বক্তব্য পাওয়া যায়নি, তবুও একাধিক ভুক্তভোগী একই ধরনের অভিজ্ঞতার কথা জানিয়েছেন।

 

কিছু ঠিকাদার অভিযোগ করেন, “কাজ শেষ হওয়ার পর বিল তুলতে গেলে আমাদেরকে ঘুরতে হয়, বারবার অফিসে যেতে হয়। অনেক সময় ফাইল কোথায় আছে, সেটাও জানানো হয় না।”

 

বিশেষজ্ঞদের মতে, বিল অনুমোদনে নির্দিষ্ট সময়সীমা নির্ধারণ, অনলাইন ট্র্যাকিং ব্যবস্থা চালু, প্রশাসনিক স্বচ্ছতা ও জবাবদিহিতা নিশ্চিত করা এবং অভিযোগ যাচাইয়ে কার্যকর ব্যবস্থা গ্রহণ করা হলে পরিস্থিতির উন্নতি সম্ভব। ভুক্তভোগী প্রতিষ্ঠানগুলো আশা করছে, নতুন উপাচার্যের দ্রুত ও দৃঢ় পদক্ষেপে এই সমস্যার স্থায়ী সমাধান হবে এবং বিশ্ববিদ্যালয়ের সঙ্গে কাজ করার পরিবেশ আরও ইতিবাচক হয়ে উঠবে।

আরও পড়ুন