১৪ জানুয়ারি থেকে সারাদেশে হোটেল-রেস্তোরাঁ অচল করার হুঁশিয়ারি
দেশের হোটেল ও রেস্তোরাঁ খাতে বড় ধরনের অস্থিরতার মেঘ ঘনিয়ে এসেছে। ন্যায্য মজুরি ও শ্রম আইন বাস্তবায়নের দাবিতে আগামী ১৪ জানুয়ারি থেকে দেশব্যাপী কর্মবিরতির ঘোষণা দেওয়া হয়েছে। সোমবার জাতীয় প্রেস ক্লাবে এক সংবাদ সম্মেলনে এই কর্মসূচির ডাক দেন শ্রমিক নেতারা।
মালিকপক্ষের স্বেচ্ছাচারিতা ও শোষনশ্রমিক নেতারা অভিযোগ করেন, দ্রব্যমূল্যের ঊর্ধ্বগতির সময়েও মালিকরা ন্যূনতম মজুরি দিচ্ছেন না। অধিকাংশ শ্রমিককে নিয়োগপত্র ছাড়াই জোরপূর্বক ১২-১৩ ঘণ্টা কাজ করানো হচ্ছে, যা শ্রম আইনের পরিপন্থী।
লড়াইয়ের শেষ পথ: কর্মবিরতিগত বছরের শেষ দিকে একাধিকবার স্মারকলিপি দিলেও কোনো কার্যকর পদক্ষেপ দেখা যায়নি। ফলে বাধ্য হয়েই তারা ১৪ জানুয়ারি থেকে কর্মবিরতির পথে হাঁটছেন, যা সাধারণ মানুষের জন্য বড় ভোগান্তির কারণ হতে পারে।
মালিকপক্ষের স্বেচ্ছাচারিতা ও শোষনশ্রমিক নেতারা অভিযোগ করেন, দ্রব্যমূল্যের ঊর্ধ্বগতির সময়েও মালিকরা ন্যূনতম মজুরি দিচ্ছেন না। অধিকাংশ শ্রমিককে নিয়োগপত্র ছাড়াই জোরপূর্বক ১২-১৩ ঘণ্টা কাজ করানো হচ্ছে, যা শ্রম আইনের পরিপন্থী।
লড়াইয়ের শেষ পথ: কর্মবিরতিগত বছরের শেষ দিকে একাধিকবার স্মারকলিপি দিলেও কোনো কার্যকর পদক্ষেপ দেখা যায়নি। ফলে বাধ্য হয়েই তারা ১৪ জানুয়ারি থেকে কর্মবিরতির পথে হাঁটছেন, যা সাধারণ মানুষের জন্য বড় ভোগান্তির কারণ হতে পারে।